আজ থেকে চালু হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য এটি বর্তমান সরকারের একটি বিশেষ পদক্ষেপ বলা যায়। বুধবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিশ্বে ১১৯তম দেশ বাংলাদেশ।

আজ থেকে চালু হলো ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট
ই-পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। (ছবি সংগৃহীত)

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। এটি চালুর ফলে বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। ‘

তিনি আরও বলেন, ‘এই ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে জাল পাসপোর্টের সমস্যা থাকবে না, অন্যদিকে প্রবাসীসহ বিদেশগামীদের হয়রানির শিকার হতে হবে না। তাদের যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।’আজ থেকে চালু হলো ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট

বাংলাদেশকে আধুনিক জ্ঞানসম্পন্ন জাতি হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সকল ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। তৃণমূলের কথা মাথায় রেখেই প্রতিটি উন্নয়নের কাজ করা হয়।’

সর্বপ্রথম ই-পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবাই এ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রথমে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে এই ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট দেওয়া হবে। পরে সারা দেশে থেকেই এই সেবা পাওয়া যাবে। এরপর বিদেশে অবস্থানরতরাও আবেদন করতে পারবেন। ই-পাসপোর্ট ৪৮ ও ৬৪ পাতার হবে যার মেয়াদকাল পাঁচ ও ১০ বছর। পাশাপাশি আগের পাসপোর্টের মতোই ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে।