ঈদের আগেই কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকা পাচ্ছেন ১ হাজার ৫৪ শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিনিধি। দৈনিক শিক্ষাবার্তা: ১৩ মে, ২০২০।

2
579

ঈদের আগেই কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকা পেতে যাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত এক হাজার ৫৪ শিক্ষক। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত ২৬ মার্চ থেকে দেশে সাধারণ ছুটি চলছে। সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত ১ হাজার ৫৪ জন বেসরকারি শিক্ষকের কল্যাণ সুবিধার প্রায় ৪০ কোটি টাকা ছাড় করেছে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট।ঈদের আগেই কল্যাণ ট্রাস্টের ৪০ কোটি টাকা পাচ্ছেন ১ হাজার ৫৪ শিক্ষক

ট্রাস্টের সচিব অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু দৈনিক শিক্ষাবার্তা কে বলেন, কল্যাণ ট্রাস্টের ১ হাজার ৫৪ জন শিক্ষক কর্মচারীর কল্যাণ সুবিধা বাবদ ৩৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ছাড় করা হয়েছে। জাতির এই মহাদুর্যোগের মধ্যেও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীদের দুরাবস্থার কথা বিবেচনা করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনির উৎসাহে এই টাকা ছাড় করা সম্ভব হয়েছে। ঈদের আগেই শিক্ষকদের যার যার ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে।

জানা যায়, আজ বুধবার কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব এই চেকে স্বাক্ষর করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের স্বাক্ষর শেষে কাল বৃহস্পতিবার চেক  ব্যাংকে জমা হবে। ঈদের আগেই অনলাইনে বিএফটিএন এর মাধ্যমে শিক্ষকদের যার যার একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের মে মাসে যারা কল্যাণ সুবিধার জন্য আবেদন জমা দিয়েছিল তারা এই দুঃসময়ে টাকা পাচ্ছেন।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জানান, চাকরিজীবনে প্রতিমাসের এমপিও থেকে চাঁদা কর্তন করে রাখা হয়। সেই টাকাই এককালীন দেয়া হয় শিক্ষকদের। তবে, জমানো টাকার কয়েকগুণ বেশি দেয়া হয়। কিন্তু এতে রয়েছে দীর্ঘসূত্রিতা। অবসরে যাওয়ার অনেকদিন পর টাকা পাওয়া যায়।

2 মন্তব্য সমূহ

  1. ধন্যবাদ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে। তবে শিক্ষকদের এই ঘাম ঝরানো অক্লান্ত পরিশ্রমের টাকা অবসরে যাওয়ার ২/১ মাসের মধ্যে দেওয়া হলে আরও বেশি ভাল লাগতো।।

  2. মাননীয় সম্পাদক
    দৈনিক শিক্ষাবার্তা,
    আমি একজন এম,পিওভুক্ত শিক্ষক। এম,পিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী উচ্চতর গ্রেডের জন্য ১০ বছর পুর্তি হয়ে প্রায় ১২ বছর পুর্তি হতে চলেছে। হাইকোর্টের রায় হলো, উচ্চতর গ্রেড পেতে আর কোন বাধা নেই, শীঘ্রই উচ্চতর গ্রেড পাচ্ছেন বেশিকরা ইত্যাদি ইত্যাদি নিউজ হলো। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই স্বপ্ন এখনও স্বপ্ন হয়েই রইলো। এ ব্যাপারে আপনাদের পত্রিকায় মাসে অন্ততঃ ২/৩ বার আমার মত ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দুর্দশার খবর ছাপা হলে কৃতজ্ঞ থাকবো।।

আপনার মন্তব্য

আপনার মতামত দিন
আপনার নাম