বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার নারীদের জন্য ফ্রি সাপোর্ট সেন্টার করবেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জর্জ

নিজস্ব প্রতিনিধি: দৈনিক শিক্ষাবার্তা।

0
69

বাংলাদেশের ধর্ষণের শিকার নারীদের জন্য ফ্রি সাপোর্ট সেন্টার করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জর্জ। গত ১৪ নভেম্বর তারিখে নিজের ইউটিউব চ্যানেল HELLO USA চ্যানেলে আপলোড করা একটি ভিডিওতে এমন ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন তিনি।বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার নারীদের জন্য ফ্রি সাপোর্ট সেন্টার করবেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জর্জ

এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্ষণের পর ধর্ষিতা নারী ও তার পরিবার অসহায় হয়ে পড়েন। তারা এমন কঠিন পরিস্থিতিতে আইন-আদালতের জটিল মারপ্যাচে জড়ানোর ভয়ে থানায় গিয়ে ন্যায়বিচারের অভিযোগ করতে ভয় পান। যার ফলে দেশে ধর্ষণের শিকার অধিকাংশ নারীই থানায় গিয়ে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকেন। তাই আমি ও আমার স্ত্রী শানু পরিকল্পনা করেছি বাংলাদেশের ধর্ষিতা নারী এবং ধর্ষণের হাত থেকে বেচে আসা নারীদের আইনি সাপোর্ট দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করার। এসময় তার স্ত্রী শানু বেগমকেও ভিডিওতে দেখা যায়।বাংলাদেশে ধর্ষণের শিকার নারীদের জন্য ফ্রি সাপোর্ট সেন্টার করবেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জর্জ

জর্জ জানান, এ ফ্রি সাপোর্ট সেন্টারে ইভটিজিং, ধর্ষণ এবং ধর্ষনের হাত থেকে বেচে আসা নারীদের সাপোর্ট দেয়ার জন্য কয়েকজন আইনজীবী থাকবেন, থাকবে হটলাইন নাম্বারও। যেখানে নারীদের সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করে ফ্রিতে আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। নারীদের পক্ষে সাপোর্ট সেন্টারের আইনজীবীরাই থানা-আদালতের সকল প্রকার আইনি বিষয়ে লড়ে যাবেন। ন্যায়বিচার পেতে যা যা প্রয়োজন সবকিছুই করা হবে এ সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে। প্রয়োজনবোধে ঐসব নারীদের আর্থিক সহায়তা করা হবে বলেও জানান জর্জ ও তার স্ত্রী শানু।

তারা আরোও জানান, সাপোর্ট সেন্টারের যাবতীয় ব্যয়ভার তাদের নিজেদের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল HELLO USA চ্যানেলের আয় থেকেই বহন করা হবে।

এর আগে একই ভিডিওতে তারা বাংলাদেশের বেকার সমস্যা দূরীকরণে কিভাবে ইউটিউব এবং ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন এবং নিজেদের চ্যানেল HELLO USA-এর মাধ্যমে কিভাবে প্রতিমাসে ২/৩ লাখ টাকা ইনকাম করেন তার বিস্তারিত তুলে ধরে উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণামূলক আলোচনা করেন।

আলোচনার একপর্যায়ে জর্জ জানান, শখের বসে এই চ্যানেলটির মাধ্যমে আমি ভিডিও আপলোড শুরু করি। কখনও ভাবিনি এখান থেকে এতো টাকা ইনকাম করতে পারবো। আর যেহেতু আমাদের আয়-রোজগারের অন্যান্য অনেক সোর্স রয়েছে তাই আমি ও আমার স্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছি ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে আসা ইনকামের একটা অংশ আমরা বাংলাদেশে Rape Victim Support Centre গঠন করে সেখানেই খরচ করবো।

একটি শিক্ষামূলক অনলাইন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে তার এই মহান উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানায়। বাংলাদেশের প্রত্যেক সচেতন শিক্ষিত নাগরিকের পাশাপাশি প্রতিটি  গণমাধ্যম কেও জর্জ কে উৎসাহ দেওয়া উচিত এবং তার এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমকে সামনে এগিয়ে নিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করা একান্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here