প্রশাসন ক্যাডারের ৮ কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত
করোনাভাইরাস(কভিড-১৯), প্রতীকি ছবি।

প্রশাসন ক্যাডারের ৮ কর্মকর্তা করোনায় (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। তারা সকলেই মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ছিলেন।প্রশাসন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দৈনিক শিক্ষাবার্তা এ তথ্য জানতে পেরেছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন দৈনিক শিক্ষাবার্তা কে জানিয়েছেন, তার কাছে আসা তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত ছয় জনের খবর তিনি জানেন। এর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক জালাল সাইফুর রহমান গত ৬ এপ্রিল মারা গেছেন। তিনি প্রশাসন ক্যাডারের ২২ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন।

ঢাকার পরই করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত নারায়ণগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রশাসন ক্যাডারের ৮ কর্মকর্তা যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া তাবাসসুম (৩৫তম ব্যাচ), সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার (৩৬তম ব্যাচ), সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ আবদুল মতিন খান (৩৭তম ব্যাচ)।

গাজীপুরের টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মোর্শেদ খান পাভেল (৩৩তম ব্যাচ), কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রী খীসা (৩৪তম ব্যাচ)। সৌদি আরবের লেবার কাউন্সেলর হিসেবে কর্মরত ২০ ব্যাচের কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া দুদকের একজন কর্মকর্তা ইতিমধ্যে মারা গেছেন। আরেকজন উপসচিব আক্রান্ত বলে জানা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে তার আক্রান্তের কথা সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়নি।

জনপ্রশাসন সচিব রবিবার বিকেলে দৈনিক শিক্ষাবার্তা কে বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যারা মাঠে তাদের সংস্পর্শে ছিলেন তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের প্রশাসনসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে কাজ করার জন্য আগে থেকেই নির্দেশ দেওয়া আছে। একজন অফিসারের উপর অনেক কাজের দায়িত্ব। তাই তারা বেশি আক্রান্ত হয়ে গেলে পুরো দেশের কাজের সমস্যা হবে।

ইউসুফ হারুন আরো জানান, নারায়ণগঞ্জে ইতিমধ্যে দুইজন নতুন কর্মকতা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আশা করি কাজের কোনো সমস্যা হবে না।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের ডিসি অনেক আগে থেকেই কোয়ারেন্টিনে আছেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি জেলার আরো কয়েকজন কর্মকর্তার করোনা টেস্ট দেওয়া হয়েছে। এগুলোর টেস্ট আগামীকাল পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here