কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫ জন।যশোরে করোনা ও উপসর্গে ৮ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৯ শতাংশ

করোনা সংক্রমণের এ ঊর্ধ্বগতি রুখতে লকডাউন কার্যকরের কাজ করছে জেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে রোগীর চাপ সামাল দিতে নতুন ওয়ার্ড খোলার পাশাপাশি চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। শনিবার মারা গেছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে ৩ জন করোনায় এবং অপর ৫ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

যশোর সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন দৈ‌নিক শিক্ষাবার্তা‌ কে বলেন, জুন মাসের শুরু থেকেই যশোরে সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে এ সংক্রমণের হার ৪০ থেকে ৫০ মধ্যে ওঠানামা করছে।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, প্রথম দিকে সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী রুখতে আমরা পৌরসভার ওয়ার্ডভিত্তিক ও পরে সমস্ত জেলা লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসি। সেইসাথে রোগীর চাপ সামাল দিতে নতুন ওয়ার্ড খোলার পাশাপাশি চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এই সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হলে মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে।

এ নিয়ে জেলায় করোনায় মোট ১২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৮৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৮৮৮ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪১ জন।